PatientDesk

কী কী আছে

যা যা করে, সহজ ভাষায়

প্রথমে যা এখন কাজ করছে, তারপর যা এখনো শেষ হয়নি। পরিকল্পনাকে এখানে ফিচার সাজিয়ে দেখানো হয়নি।

রোগী

রোগীর রেকর্ড

নাম, বয়স, লিঙ্গ, ফোন, ঠিকানা, আগের ইতিহাস, লিখে রাখা অ্যালার্জি ও ছবি। রোগীর নম্বর ক্রমে দেওয়া হয়, কখনো বাদ পড়ে না।

পরিবার একসঙ্গে

এক পরিবারের সদস্যদের একসঙ্গে রাখা যায় — মা ও দুই সন্তান একটি পরিবার, একটি ফোন নম্বর; তিনটি আলাদা বিচ্ছিন্ন রেকর্ড নয়।

কাগজপত্র

রিপোর্ট, টেস্টের ফল ও ছবি রোগীর সঙ্গে আপলোড করুন। ফাইল গোপনে রাখা হয় এবং যে লিংক দিয়ে খোলা হয় তা নির্দিষ্ট সময় পরে আর কাজ করে না।

তালিকা তোলা ও মেলানো

আপনার কাছে থাকা তালিকা তুলে নিন। আগে একবার দেখে নেবেন, আপনি রাজি না হলে কিছুই সেভ হয় না। একই রোগী দুইবার থাকলে দুটি রেকর্ড মিলিয়ে দেওয়া যায়।

রিসেপশন

ডাক্তারের বসার সময়

কোন ডাক্তার কোন চেম্বারে, কোন দিন, কখন বসবেন তা ঠিক করুন। আসল সময়সূচি থেকেই খালি স্লট বের হয়, আর ডাক্তারের ছুটি থাকলে সেই স্লট বন্ধ থাকে।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট

নেওয়া, নিশ্চিত করা, সময় বদলানো, বাতিল করা বা না-আসা হিসেবে চিহ্নিত করা। ওয়াক-ইন রোগীও একইভাবে সামলানো যায়। চেক-ইন দিলে রোগী ‘এসেছেন’ হয়ে যান।

সিরিয়াল

প্রতিটি সিটিংয়ের আজকের সিরিয়াল: কে এসেছেন, কে অপেক্ষা করছেন, কে ডাক্তারের কাছে, কার শেষ হয়েছে। পরের রোগীকে ডাকলে সিরিয়াল এগিয়ে যায়, আর চেম্বার ও ডেস্ক একই জিনিস দেখে।

বুকিং লিংক

একটি লিংক, যা রোগীকে দিতে পারেন বা পোস্টে দিতে পারেন — সেটি সোজা আপনার ক্লিনিকের বুকিং পাতায় খোলে।

ডাক্তারের চেম্বার

প্রেসক্রিপশন লেখা

ডোজ, খাওয়ার নিয়ম ও কত দিন — সঙ্গে পরামর্শ ও পরে দেখা করার তারিখ। প্রতিদিন যা লেখেন তার জন্য টেম্পলেট, আর সেভ করা পরামর্শের লাইন বসিয়ে দেওয়ার সুবিধা।

সই, আর সই করা প্রেসক্রিপশন বদলানো

ডাক্তার সই করেন। এরপর চুপচাপ বদলানো যায় না: সংশোধন করলে নতুন ভার্সন তৈরি হয়, আর আগেরটি ‘বদলে দেওয়া হয়েছে’ চিহ্ন নিয়ে থেকে যায়।

ছাপা ও শেয়ার

ক্লিনিকের নিজের প্যাডে বাংলা বা ইংরেজিতে পিডিএফ। আপনার প্রেসক্রিপশন, বিল বা রসিদে পেশেন্টডেস্কের নাম কখনো ছাপা হয় না। রোগীকে একটি শেয়ার লিংক পাঠানো যায়।

ওষুধের তালিকা

লেখার সময়ই বাংলাদেশি ব্র্যান্ড ও জেনেরিক খুঁজুন। তালিকায় না থাকলে ক্লিনিকের নিজের নামে যোগ করে নিন।

টেস্ট

ভিজিটের সঙ্গে টেস্ট দেওয়া ও ফল রোগীর রেকর্ডে তোলা। শিগগিরই

কাউন্টারের টাকা

এখানে সবকিছুই আপনার কাউন্টারে যা ঘটেছে তার হিসাব। পেশেন্টডেস্কের ভেতর দিয়ে কোনো টাকা যায় না।

বিল ও রসিদ

ডাক্তারের ফি ও যে সেবা দেওয়া হয়েছে তা দিয়ে বিল তৈরি করুন, আপনি অনুমতি দিলে ছাড়ও দেওয়া যায়। রসিদ ছাপুন। বিল ও রসিদের নম্বর ক্রমে চলে, কখনো বাদ পড়ে না।

টাকা জমা

রোগী কত ও কীভাবে দিয়েছেন তার হিসাব — ক্যাশ, কার্ড, বিকাশ বা নগদ — এখন কিছু আর বাকিটা পরে দিলে তাও।

ফেরত ও বাতিল

টাকা ফেরত পুরোনো হিসাব বদলে নয়, আলাদা এন্ট্রি হিসেবে লেখা হয়। রসিদ বাতিল করতে ম্যানেজারের অনুমোদন ও কারণ লাগে; ডেস্ক একা পারে না।

ট্রিটমেন্ট প্যাকেজ

একটি কোর্স বিক্রি করুন — ধরুন আগে টাকা নিয়ে ছয়টি সিটিং — আর প্রতি ভিজিটে একটি কাটা পড়বে। রোগীর রেকর্ডেই দেখা যাবে কত সিটিং বাকি।

দিন শেষের হিসাব

দিন শেষে প্রতিটি ক্যাশ ড্রয়ার আলাদা বন্ধ হয়: সিস্টেম কত আশা করছে, ড্রয়ারে আসলে কত আছে, আর পার্থক্য কত। একদিনের হিসাব অনুমোদন হয়ে গেলে তা আর নড়ে না।

রিপোর্ট

এখন যা দেখতে পারবেন

দিনের বিক্রি ও জমা; কোন ডাক্তারের কত রোগী ও কত আয়; কোন ট্রিটমেন্ট কতবার হয়েছে ও কত এনেছে; বুকিং কোথা থেকে এসেছে; আর কর্মীরা খোঁজ নেওয়া রোগীকে কতটা ভিজিটে আনতে পারছেন। প্রতিটি রিপোর্ট চেম্বার ও তারিখ ধরে আলাদা করা যায়।

প্রত্যেক পদের জন্য আলাদা ড্যাশবোর্ড

মালিক, ডাক্তার, সেলস ও রিসেপশন — প্রত্যেকের জন্য একটি পাতা, যেখানে তার দরকারি চার্ট থাকবে। শিগগিরই

চেম্বার, মানুষ ও ভরসা

অনেক চেম্বার, একটি অ্যাকাউন্ট

আপনার সব চেম্বার যোগ করুন। কর্মী যে চেম্বারে আসলে কাজ করেন তার সঙ্গেই জুড়ে থাকেন, বাকিগুলোর কিছুই দেখেন না।

পদ ও অনুমতি

কে টাকা দেখতে পারবেন, কে প্রেসক্রিপশন লিখতে পারবেন, কে বিল বাতিল করতে পারবেন — এক-একটি কাজ ধরে ঠিক করা যায়, একটিমাত্র ‘অ্যাডমিন’ সুইচ দিয়ে নয়। মালিক চাইলে নিজের ক্লিনিকের মতো করে নতুন পদও বানাতে পারেন।

কাজের রেকর্ড

চিকিৎসা ও টাকার কাজগুলো এমন একটি রেকর্ডে লেখা হয়, যা পরে আর কেউ বদলাতে বা মুছতে পারে না — আমরাও পারি না।

বাংলা ও ইংরেজি

প্রতিটি স্ক্রিনে ও ছাপা প্রেসক্রিপশনে দুই ভাষা, আর ভাষা অনুযায়ী সংখ্যা।

ফোনে ইনস্টল

পেশেন্টডেস্ক ব্রাউজারে চলে এবং ফোনে অ্যাপের মতো ইনস্টল করা যায় — যা দাঁড়িয়ে কাজ করা রিসেপশনের জন্য সুবিধার।

এখনো শেষ হয়নি

যেগুলো আমরা এখনো বানাচ্ছি

লিখে দিচ্ছি, যাতে আপনি নিজেই বিচার করতে পারেন আজকের পেশেন্টডেস্ক আপনার ক্লিনিকের জন্য যথেষ্ট কি না। এগুলোর কোনো তারিখ আমরা দিই না।

ওষুধের সেফটি সতর্কবার্তা এখনো কাজ করে না। পেশেন্টডেস্ক অ্যালার্জি, ওষুধে-ওষুধে বিক্রিয়া বা একই ওষুধ দুইবার পড়া — কিছুই যাচাই করে না। ডাক্তারকে আগের মতোই নিজে দেখে নিতে হবে। এই একটি জিনিস নিয়ে আমরা সবচেয়ে সাবধান, কারণ যে সতর্কবার্তা কখনো আসেনি তার ওপর ভরসা করলে রোগীর ক্ষতি হতে পারে।

  • শিগগিরই লিড ও ফলো-আপ — খোঁজ নেওয়া রোগীদের বোর্ড, কার দায়িত্বে, ফলো-আপের তারিখ, আর না-বদলানো কাজের ইতিহাস।
  • শিগগিরই এসএমএস কোড দিয়ে অনলাইন বুকিং — রোগী নিজে বুকিং দিয়ে ফোনে আসা কোড দিয়ে নিশ্চিত করবেন।
  • শিগগিরই ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ থেকে আসা খোঁজ নিজে থেকেই সিস্টেমে ঢোকা।
  • শিগগিরই হিসাব ও খরচ — টাকা আসা-যাওয়া, সরবরাহকারী, বিল, ট্রান্সফার, মাস বন্ধ করা।
  • শিগগিরই স্টক — পণ্য, ব্যাচ, মেয়াদ, মাল তোলা, গুনে দেখা ও কম স্টকের সতর্কবার্তা।
  • শিগগিরই কর্মী ও বেতন — কর্মীর রেকর্ড, ডিউটি, হাজিরা, ছুটি, বেতনের শর্ত, বেতন ও পে-স্লিপ।
  • শিগগিরই পদ অনুযায়ী ড্যাশবোর্ড — মালিক, ডাক্তার, সেলস ও রিসেপশনের জন্য।
  • শিগগিরই ল্যাব, ফার্মেসি, মাল কেনা, আর পরে ভর্তি রোগীর দিক — ওয়ার্ড, অপারেশন থিয়েটার ও ছাড়পত্র।